ই-কমার্স নিয়ে যতো কথা।
ই-কমার্সে কী কী পণ্যের বেচা-কেনা হতে পারে? একজন বিক্রেতা হিসেবে কী কী পণ্যের সেবা মানুষের নিকট পৌঁছে দিতে চান এবং একজন ক্রেতা হিসেবে কী কী পণ্যের সেবা আপনি ই-কমার্সের মাধ্যমে পেতে চান?ই-কমার্সে নিত্য প্রয়োজনীয় ও শৌখিন দ্রব্য, কোনটির বর্তমান চাহিদা কেমন?
৯০'র দশকের পর থেকে ই-কমার্স বাংলাদেশে ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। বর্তমানে ই-কমার্সের সু-দিন চলছে বলা যায়। ই-কমার্সের বিপ্লব চলছে সারা বিশ্বে। যেখানে অনলাইনে কথা আদান প্রদান থেকে শুরু করে টাকা পয়সাও আদান প্রদান হয় সেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সহ বিলাসজাত দ্রব্য কেনা-বেচার বিষয়টি বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। ফলে দিন দিন বাড়ছে ই কমার্সের গ্রহণযোগ্যতা।
-
১.
কেমন পণ্য বিক্রি হতে পারে ই-কমার্সে?
ধরুণ আমি বললাম গোবর বিক্রয় ও সম্ভব! চমকে উঠবেন? বিস্ময়ের কোন কারণ নেই। কেননা ই-কমার্স আস্তে আস্তে আপনার বাহ্যিক কেনাকাটাকে নিয়ে আসবে অদৃশ্যের কবলে। উপরিউক্ত বিষয়টি যদি খেয়াল করেন তবে দেখবেন। বর্তমান কেউ ই এই বিষয়টি ভাববেনা যে, গোবর বিক্রি করলে কেমন হয়? কারণ তিনি ভাববেন ভিবিন্ন কসমেটিক (বিলাসজাত পণ্য)কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবাসামগ্রী বিক্রি করতে। এখানে একটি পয়েন্ট খুব ভালোভাবে বুঝতে হবে যে, ই-কমার্সে ব্যাবসা আমার মতের উপর নির্ভরশীল কিংবা চিন্তভাবনার ফসল হতে পারবেনা বরং এটি হতে হবে সরেজমিনে। ব্যাপারটা যদি খোলাসা করে বলতে হয় তবে বলবো। আপনাকে দেখতে হবে গ্রাহক কী যাচ্ছে কিংবা বর্তমানে বাজার চাহিদা কী?
শহরাঞ্চলে দিন দিন বাগানের সংখ্যা বাড়ছে। কেউ কেউ শখের বসে আবার কেউ সময় কাটাতে এসব করছেন। আপনি যদি চিত্রনায়িকা ববির ববিতার বাড়ি দেখেন তবে আপনি বুঝতে পারবেননা আপনিকি বাগানে প্রবেশ করেছেন না কোন বাড়িতে। এসব বাগানে প্রচুর পরিমাণে মাটি, সার, গোবর সার প্রয়োজন। আপনি ই কমার্সে এর ব্যাবসা করে লাভবান হতে পারেন।
তাছাড়াও বিভিন্ন বিলাসজাত পণ্য বিক্রি করতে পারেন। যেমন ঘড়ি, বড়ি স্প্রে, ব্রেসলেট, চুড়ি,শাড়ি ইত্যাদি ইত্যাদি। নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যাবসার ধরণ ও বেশ ভালো। তবে আপনাকে মনে রাখা চাই ব্যাবসার লাভের দিকটা যেন সেবার দিকটার সাথে একই অনুপাতে অবস্থান করে।
কয়েকটি বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি এবং তা হলোঃ
অতি দীর্ঘকালীন বাজারঃ এই বাজারে আপনার ব্যাবসায় ক্ষতি হওয়ার পরিমানটা কম হবে কারণ এতে পণ্যের নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা নেই। যেমনঃ কম্পিউটার, মাউস, কি-বোর্ড, ভিবিন্ন হার্ডওয়্যার সামগ্রী।
অতি স্বল্পকালীন বাজারঃ এই বাজারে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাটা বেশি। কেননা এই বাজারে যেসব সেবা থাকে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন ভিবিন্ন ফলমুল, শাকসবজি ইত্যাদি।
২.
ই-কমার্স বিক্রেতা হিসেবে কেমন পণ্য আপনি ক্রেতার নিকট পৌঁছাতে চান?
আমরা ই-কমার্সের প্রাথমিক ধাপগুলো পড়েছি। সেখানে সততা নিয়ে বেশ জোরালোভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
পড়ে নিন ই-কমার্সের প্রাথমিক ধাপগুলো... একজন বিক্রেতা হিসেবে সবসময়ই হতে হবে স্বচ্ছ এবং নম্রভাষী। মনে রাখতে হবে ই-কমার্স যেহেতু একদিনের নয় তাই সাময়িক লাভের আশা না করে আমাদের দীর্ঘস্থায়ী লাভের আশা করা। এজন্য আমাদের উচিৎ ওয়েবসাইটের প্রদর্শন অনুযায়ী মুল সেবাটিই গ্রাহককে পৌঁছে দেওয়া এতে গ্রাহক বারবার আসবে।
পড়ে নিন ই-কমার্সের প্রাথমিক ধাপগুলো... একজন বিক্রেতা হিসেবে সবসময়ই হতে হবে স্বচ্ছ এবং নম্রভাষী। মনে রাখতে হবে ই-কমার্স যেহেতু একদিনের নয় তাই সাময়িক লাভের আশা না করে আমাদের দীর্ঘস্থায়ী লাভের আশা করা। এজন্য আমাদের উচিৎ ওয়েবসাইটের প্রদর্শন অনুযায়ী মুল সেবাটিই গ্রাহককে পৌঁছে দেওয়া এতে গ্রাহক বারবার আসবে।
৩.
ক্রেতা হিসেবে আপনি কী চান বা কেমন সেবা চান?
আজকে হয়তো আমি ক্রেতা কাল হয়ে যাবো ব্যাবসায়ী। আপনি কেমন সেবা চান? অবশ্যই মনের মতো! কেননা বাস্তব চিত্রানুযায়ী একজন যখন কিছু ই-কমার্সে কিনতে যায় তখন অন্যরা বলে' এতে সঠিক পণ্য পাওয়া যায়না'। তাই আপনি অবশ্যই তাদের বুড়ো আঙ্গুলি দেখিয়ে বলতে চাইবেন ' পাওয়া যায়'। অর্থ্যাৎ একজন ক্রেতা অবশ্যই ভালো সেবা চায়। ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত সেবাটিই বাস্তবে পেতে চায় এবং কোন ধরণের ঝাক্কি ঝামেলা ছাড়া।
৪.
ই-কমার্সে নিত্যপ্রয়োজনীয় না বিলাসজাত সেবা! কোনটির বর্তমান চাহিদা বেশিঃ-
বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা থেকে বিলাসজাত দ্রব্যের চাহিদা ই বেশি। বেশিরভাগ গ্রাহকই ই-কমার্সে বিলাসজাত সেবা গ্রহণ করে থাকেন। ফলে দিনদিন ই কমার্সের এই খাতে ব্যাবসা বাড়ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের তেমন চাহিদা নেই কারণ হতে পারে এই বাজার অতিস্বল্পকালীন তাই। ফলে এতে ক্ষতির আশঙ্কা থেকে যায়। অন্যদিকে দীর্ঘকালীন বাজারে তেমনটা নেই। সুতরাং বলা যায় বিলাসজাত দ্রব্যের চাহিদাই বর্তমানে বেশি।
বেকারত্ব ঘোচাতে পারে ই-কমার্স? পড়ে নিন....
বেকারত্ব ঘোচাতে পারে ই-কমার্স? পড়ে নিন....

No comments
Thank you.