বেকারত্ব ঘুচাতে আশির্বাদ হবে ই-কমার্স।
১.
বর্তমানে পড়ালেখার মুল উদ্দ্যেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে চাকরি। উদ্দ্যেশ্য যখন চাকরি তখন সেটা জীবনের জন্য বাধ্যগত। বুঝতে হবে এতে মানব সেবার চাইতেও নিজের সেবাটা মূখ্য (হোক সেটা পরিবারের কিংবা হোক অন্যকিছু)। কেননা পরিবারের ভরণপোষণের চাপ ই তখন বেশি থাকে। আশা থাকে কখন গ্রাজুয়েশন শেষ হবে আর কখন স্বপ্নের সেই চাকরি পাবো। কিন্তু স্বনির্ভর কোন ক্ষেত্র তৈরী হচ্ছেনা এই শিক্ষাদ্বারা। বরং স্বাধীনভাবে পড়ালেখা করে আমরা পরাধীনতার শিকলে বন্ধি হওয়ার স্বপ্নটাই দেখছি।
২.
বর্তমানে দেশে স্কুল, মাদ্রাসার এবং কলেজের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। সাথে বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের
ধরি, যদি বুয়েট, চুয়েট কিংবা ঢাবি,চবি থেকে যে ছাত্ররা বের হচ্ছে তারা সবাইকি চাকুরি পাচ্ছে? তাদের সবার কি বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিসে কিংবা সরকারি অন্যান্য পোস্টে ঠাই হচ্ছে? অথবা যদি ধরি এনজিও সংস্থাগুলোতে?
না! অনেকে পাচ্ছে আবার অনেকে না। তাদের কী উপাধি দেওয়া হচ্ছে? শিক্ষিত বেকার। ফলে অধিকাংশের বেলায় এই শব্দের ওজন সহ্য করতে না পেরে ঘটছে নির্ঘুম স্বপ্নের মৃত্যু আত্মহত্যা।
৩.
দেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা প্রায় ২৬ লক্ষ ৬৬হাজার এর মধ্যে শিক্ষিত বেকারের সংখ্য প্রায় ১০লক্ষ ++। চিন্তার ব্যাপার এই যে, যারা পড়ালেখা করেছে দিনরাত চেষ্টা করে তাদের সংখ্যাটাও অর্ধেক বলা যায়। প্রায় ৪০শতাংশ। খুব দুঃখের ব্যাপার এটি। কারণ যারা শিক্ষিত তারা বাকি ১৬লক্ষের মুখোমুখি হলেই প্রশ্ন ছুড়বে অপর পক্ষ 'কী লাভ এই শিক্ষা দিয়ে? পড়েও যে তোমরা বেকার!
৪.
কিভাবে ঘুচবে এই বেকারত্ব নামক অভিশাপ?
মডার্ণ শিক্ষাব্যবস্থা চালু হয়েছে দেশে কিন্তু দূর্ভাগ্য সেই শিক্ষা ব্যবস্থা পারেনি ই কমার্সের চিন্তাভাবনা দিয়ে ছাত্রদের চাকুরি নির্ভর ভাবনাকে কাটাতে। যদি শিক্ষাব্যাবস্থা য় রাজিব স্যারের আশানুযায়ী ই-কমার্স পড়ানোর ব্যাবস্থা থাকতো তবে দেশে বেকারের সংখ্য কমে যেতো। কেউ বা হয়তো পড়ালেখা কাজে লাগিয়ে বড় বড় ব্যাবসা করতে পারত ই কমার্সে। ছাত্রজীবনের সেই মুক্ত হাওয়া তারা পেতো ই কমার্সের মাধ্যমে। আর মুক্ত হতো 'শিক্ষিত বেকার লকব পাওয়া থেকে।
-
এতে দেশ যেমন বেকারমুক্ত হবে ঠিক একিভাবে যারা স্বনির্ভর ব্যাবসা করছে তারা অন্য দশজনের কর্মসংস্থান তৈরীতে ভূমিকা রাখবে।
যদিও আর্টিকেলটি মনে হতে পারে এক পাক্ষিক তবে এটি তেমন নয়। এখানে শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সবার কথাই আনয়নযোগ্য। এখানে শিক্ষিতদের কথা বলা হয়েছে শুধুমাত্র তাদের ভাবনাটাকে জাগিয়ে দেওয়ার জন্য। তা বাদ দিলে সর্বোপরি এই ই কমার্স বেকারদের জন্য রাখতে পারে বিশাল ধরণের কাজের সূযোগ। অন্যের কাছে কাজ নয় বরং নিজের কাজ নিজে করে মুক্ত আকাশে বেড়ানো যাবে।
-
ধন্যবাদ।
৩.
দেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা প্রায় ২৬ লক্ষ ৬৬হাজার এর মধ্যে শিক্ষিত বেকারের সংখ্য প্রায় ১০লক্ষ ++। চিন্তার ব্যাপার এই যে, যারা পড়ালেখা করেছে দিনরাত চেষ্টা করে তাদের সংখ্যাটাও অর্ধেক বলা যায়। প্রায় ৪০শতাংশ। খুব দুঃখের ব্যাপার এটি। কারণ যারা শিক্ষিত তারা বাকি ১৬লক্ষের মুখোমুখি হলেই প্রশ্ন ছুড়বে অপর পক্ষ 'কী লাভ এই শিক্ষা দিয়ে? পড়েও যে তোমরা বেকার!
৪.
কিভাবে ঘুচবে এই বেকারত্ব নামক অভিশাপ?
মডার্ণ শিক্ষাব্যবস্থা চালু হয়েছে দেশে কিন্তু দূর্ভাগ্য সেই শিক্ষা ব্যবস্থা পারেনি ই কমার্সের চিন্তাভাবনা দিয়ে ছাত্রদের চাকুরি নির্ভর ভাবনাকে কাটাতে। যদি শিক্ষাব্যাবস্থা
-
এতে দেশ যেমন বেকারমুক্ত হবে ঠিক একিভাবে যারা স্বনির্ভর ব্যাবসা করছে তারা অন্য দশজনের কর্মসংস্থান তৈরীতে ভূমিকা রাখবে।
যদিও আর্টিকেলটি মনে হতে পারে এক পাক্ষিক তবে এটি তেমন নয়। এখানে শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সবার কথাই আনয়নযোগ্য। এখানে শিক্ষিতদের কথা বলা হয়েছে শুধুমাত্র তাদের ভাবনাটাকে জাগিয়ে দেওয়ার জন্য। তা বাদ দিলে সর্বোপরি এই ই কমার্স বেকারদের জন্য রাখতে পারে বিশাল ধরণের কাজের সূযোগ। অন্যের কাছে কাজ নয় বরং নিজের কাজ নিজে করে মুক্ত আকাশে বেড়ানো যাবে।
-
ধন্যবাদ।

No comments
Thank you.