ই বুক তৈরী নিয়ে জানা অজানা তথ্য।
ই-বুক মানে হচ্ছে ইলেকট্রনিক বুক। আমরা এটা সম্পর্কে সবাই কমবেশি জানি কারণ আমাদের পাঠসূচিতে ই বুক নিয়ে অনেক রচনা এবং প্যারাগ্রাফ আছে।অর্থ্যাৎ অন্তত ভাসা ভাসা হলেও আমাদের ধারণা আছে৷ এখন যদি বলি যে, ই বুক কী? তবে সবাই বলতে পারবে এবং বলবে ' ই বুক হচ্ছে বইয়ের ইলেক্ট্রনিক সংস্করণ যেখানে বুক রিডারের মাধ্যমে যেকোন ধরণের বই পড়া যায়। আচ্ছা ফাইন, বাট এর ইতিহাস কী আমরা জানি? বা ই বুকের পিছনের কথা কে আবিষ্কার করলেন এই অসাধারণ পন্থা যা মানুষের পড়ালেখার জগতকে করে দিয়েছে ফুরফুরে! আমাদের অবশ্যই তা নিয়ে জানতে হবে।
রবার্ট হার্ট হচ্ছেন ই বুকের সৃষ্টিকর্তা। তিনি ছোটকাল থেকে ছিলেন খুব উৎসুক এবং জ্ঞান পিপাসু। মাত্র সাত বয়সে তিনি বিভিন্ন যন্ত্রপাতি খুলে তা পরীক্ষা করতেন এবং ঠিক ঠিক পজিশনে তা লাগিয়ে দিতে পারতেন। তার এই অসাধারণ জ্ঞান সাধনা দেখে তার বন্ধু তাকে ম্যাজিকাল একটি যন্ত্রের সংস্পর্শে নিয়ে যায় যা ছিলো জেরক্স সিগমা ৫ মেইনফ্রেম কম্পিউটার। অত্যন্ত জটিল ছিলো সেই যন্ত্র কারণ তখনকার সেই কম্পিউটার আজকের মতো টিডি ছিলোনা। সেখানে গবেষনার কাজ পান হার্ট। তার অন্যান্য সহকর্মীরা কম্পিউটারের পোগ্রাম লিখতে ব্যস্ত থাকলেও তিনি করেছিলেন ভিন্ন ধরণের কাজ যা ছিলো কীভাবে ১০০ বছর পরেও একটা জিনিস মানুষের মাঝে টিকে থাকবে৷ তিনি তার পকেটে থাকা স্বাধীনতার ঘোষনা পত্রটি টাইপ করে ফেলেন মেইনফ্রেম কম্পিউটারে। এবং এই ডকুমেন্টটি তিনি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে রাখেন। তিনি বুঝতে পারেন যে এটি শতাব্দি অব্দি থাকবে।
তার এই উদ্দেগ্যের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ই বুকের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। যদিও প্রাথমিক সময়ে একটি ই-বুক বানাতে হার্টের অনেক সময় লাগতো৷ এই ইতিহাসটি অনেক দীর্ঘ আমি শুধু মুখ্য কথাটাই এখানে তুলে ধরতে চেয়েছি। বর্তমান ই বুক পড়ালেখায় এক অনন্য সংযোজন৷ শিক্ষা ব্যবস্থায় বই আর ব্যাগের বিকল্প হিশেবে কোন কিছুকে মানুষ কল্পনাই করতে পারতোনা। সেই পড়ালেখা আজ ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা মানুষের জীবনকে করেছে সাশ্রয়ী। পূর্বের ন্যায় আর দোকানে গিয়ে কিংবা বই কিনে বই পড়ার আর দরকার পড়েনা এবং বই বহন করার কষ্ট এ লাঘব করেছে ই বুক।
-
ই বুকের মাধ্যমে হাটে মাটে প্রান্তরে কম্পিউটার বা ট্যাবলেট অথবা মোবাইলে যেকোন একাডেমিক বা নন একাডেমিক বই পড়া যাবে। যেখানে বইয়ের হার্ড কপির গ্রহনযোগ্যতা কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ই বুক ব্যবহারের দিক দিয়ে পিছিয়ে৷ আমেরিকায় ই বুকে পড়ালেখা দিন দিন বাড়ছে। সেখানে প্রায় ২৩% পড়ালেখা হয় ই বুকে। এবং ই বুক রিডারের গ্রহনযোগ্যতাও বাড়ছে দ্রুত।
আমাদের ও এর উপকার সম্পর্কে জানতে হবে এবং নিত্য জীবনে ই বুকের সেট আপ নিশ্চিত করতে হবে৷ তাহলে আমাদের টাকা খরচ(বই ক্রয়) এবং বোঝা অনেক টা কমে যাবে।
এছাড়া এর নানাবিধ উপকার রয়েছে তা না হয় গ্রুপের অন্যান্য পোস্ট পড়ে জেনে নেবো। আজ এখানেই শেষ।
আল্লাহ হাফেজ।
রবার্ট হার্ট হচ্ছেন ই বুকের সৃষ্টিকর্তা। তিনি ছোটকাল থেকে ছিলেন খুব উৎসুক এবং জ্ঞান পিপাসু। মাত্র সাত বয়সে তিনি বিভিন্ন যন্ত্রপাতি খুলে তা পরীক্ষা করতেন এবং ঠিক ঠিক পজিশনে তা লাগিয়ে দিতে পারতেন। তার এই অসাধারণ জ্ঞান সাধনা দেখে তার বন্ধু তাকে ম্যাজিকাল একটি যন্ত্রের সংস্পর্শে নিয়ে যায় যা ছিলো জেরক্স সিগমা ৫ মেইনফ্রেম কম্পিউটার। অত্যন্ত জটিল ছিলো সেই যন্ত্র কারণ তখনকার সেই কম্পিউটার আজকের মতো টিডি ছিলোনা। সেখানে গবেষনার কাজ পান হার্ট। তার অন্যান্য সহকর্মীরা কম্পিউটারের পোগ্রাম লিখতে ব্যস্ত থাকলেও তিনি করেছিলেন ভিন্ন ধরণের কাজ যা ছিলো কীভাবে ১০০ বছর পরেও একটা জিনিস মানুষের মাঝে টিকে থাকবে৷ তিনি তার পকেটে থাকা স্বাধীনতার ঘোষনা পত্রটি টাইপ করে ফেলেন মেইনফ্রেম কম্পিউটারে। এবং এই ডকুমেন্টটি তিনি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে রাখেন। তিনি বুঝতে পারেন যে এটি শতাব্দি অব্দি থাকবে।
তার এই উদ্দেগ্যের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ই বুকের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। যদিও প্রাথমিক সময়ে একটি ই-বুক বানাতে হার্টের অনেক সময় লাগতো৷ এই ইতিহাসটি অনেক দীর্ঘ আমি শুধু মুখ্য কথাটাই এখানে তুলে ধরতে চেয়েছি। বর্তমান ই বুক পড়ালেখায় এক অনন্য সংযোজন৷ শিক্ষা ব্যবস্থায় বই আর ব্যাগের বিকল্প হিশেবে কোন কিছুকে মানুষ কল্পনাই করতে পারতোনা। সেই পড়ালেখা আজ ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা মানুষের জীবনকে করেছে সাশ্রয়ী। পূর্বের ন্যায় আর দোকানে গিয়ে কিংবা বই কিনে বই পড়ার আর দরকার পড়েনা এবং বই বহন করার কষ্ট এ লাঘব করেছে ই বুক।
-
ই বুকের মাধ্যমে হাটে মাটে প্রান্তরে কম্পিউটার বা ট্যাবলেট অথবা মোবাইলে যেকোন একাডেমিক বা নন একাডেমিক বই পড়া যাবে। যেখানে বইয়ের হার্ড কপির গ্রহনযোগ্যতা কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ই বুক ব্যবহারের দিক দিয়ে পিছিয়ে৷ আমেরিকায় ই বুকে পড়ালেখা দিন দিন বাড়ছে। সেখানে প্রায় ২৩% পড়ালেখা হয় ই বুকে। এবং ই বুক রিডারের গ্রহনযোগ্যতাও বাড়ছে দ্রুত।
আমাদের ও এর উপকার সম্পর্কে জানতে হবে এবং নিত্য জীবনে ই বুকের সেট আপ নিশ্চিত করতে হবে৷ তাহলে আমাদের টাকা খরচ(বই ক্রয়) এবং বোঝা অনেক টা কমে যাবে।
এছাড়া এর নানাবিধ উপকার রয়েছে তা না হয় গ্রুপের অন্যান্য পোস্ট পড়ে জেনে নেবো। আজ এখানেই শেষ।
আল্লাহ হাফেজ।



No comments
Thank you.