সফলতার গল্পগল্প
ধরুণ আমি হতে চাই একজন ভালো শিক্ষক। এখন যদি আমি চেষ্টা করি যে সাথে আমি একজন ভালো বিতার্কিক হবো কিংবা ডাক্তার বা হতে পারে ইঞ্জিনিয়ার। ব্যাপারটা কেমন জটিল তাইনা? এটা কেমন যেন অসম্ভব মনে হয়। একসাথে কীভাবে সম্ভব ভার্সেটাইল জ্ঞানের অধিকারী হওয়া? হুম! পৃথিবীতে খুব কম মানুষ-ই আছেন যারা একসাথে সবদিকে দক্ষ। সেই মানুষদের একজনের কথাই বলছি এখানে।
-
মারিসা মেয়ারের। উইকন্সিনের এক শহরে ১৯৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার অসাধারণ জানার ইচ্ছা ছিলো ছোটকাল থেকেই। এটা কি ওটা কী?জানার আগ্রহ ছিলো প্রবল। বাবা ছিলেন প্রকৌশলী শিক্ষক। ছোটকাল থেকেই শিক্ষাদীক্ষা সহ খেলাধুলা আর সাংস্কৃতিতে ছিলেন প্রথমা। ছোটকালে আশা ছিলো ড্যান্সার হবেন পরে তা বিবর্তিত হয়ে স্বপ্ন জাগলো ডাক্তার হওয়ার। এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন কম্পিউটার দেখে তার অসাধারণ কৌতুহল কাজ করে। স্বপ্ন দেখলেন কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়ার। খেলাধুলা আর সাংস্কৃতিক মাঠ কাপিয়েও তিনি দু'টি প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি হয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিবিন্ন বিষয়ের উপর আবিষ্কার করেন।যা ছড়িয়ে পড়ে দিক থেকে দিগন্তে। এ সফলতা দেখে ১৪ টি বড় বড় কোম্পানি থেকে চাকুরির প্রস্তাব আসে। কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। বরং তখনকার অখ্যাত একটি কোম্পানিতে প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে জয়েন করেন। যেখানে ২০জন মেম্বারের মাঝে তিনি ছিলেন একমাত্র নারী প্রকৌশলী।
-
আর সে অখ্যাত প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে আজকের বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন Google. মারিসার তত্ত্বাবধানে গুগল সার্চ, ম্যাপ, নিউজ, টুলবার, জিমেইল ইত্যাদি গড়ে ওঠে। অসাধারণভাবে সাজিয়ে তুললেন Google নামক অখ্যাত কোম্পানিটিকে। যা পরবর্তীতে আর অখ্যাত থাকেনি। ভাবা যায় হাজারো কোটি মানুষ যে সার্চ ইঞ্জিন টি আজ ব্যবহার করছে তার পিছে মারিসা'র কতোটা অবদান ছিলো!!
যদিও পরবর্তীতে তিনি ইয়াহুর সিইও হয়েছিলেন। এবং ম্যাগাজিনে বিখ্যাত সিইও এর খ্যাতি তাঁর ই ছিলো। একাধারে রুপ আর গুনের সমন্বয় আর কোন সিইও'র ছিলোনা।
-
এই সফলতার পিছনে ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে মারিসার পরিশ্রম। তিনি প্রতিদিন ১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করতেন। তাঁর এই পরিশ্রমের ম্যাজিক এতোটাই যে, সে যেখানেই যায় সফলতা সেখানেই ছুটে যায়। Yahoo কে ধ্বংসের ধারপ্রান্ত থেকে টেনে তুলেন তিনিই।
"I always did something i was a little not ready to do.i think that's how you grow.
-Marissa Mayer
-
মারিসা মেয়ারের। উইকন্সিনের এক শহরে ১৯৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার অসাধারণ জানার ইচ্ছা ছিলো ছোটকাল থেকেই। এটা কি ওটা কী?জানার আগ্রহ ছিলো প্রবল। বাবা ছিলেন প্রকৌশলী শিক্ষক। ছোটকাল থেকেই শিক্ষাদীক্ষা সহ খেলাধুলা আর সাংস্কৃতিতে ছিলেন প্রথমা। ছোটকালে আশা ছিলো ড্যান্সার হবেন পরে তা বিবর্তিত হয়ে স্বপ্ন জাগলো ডাক্তার হওয়ার। এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন কম্পিউটার দেখে তার অসাধারণ কৌতুহল কাজ করে। স্বপ্ন দেখলেন কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়ার। খেলাধুলা আর সাংস্কৃতিক মাঠ কাপিয়েও তিনি দু'টি প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি হয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিবিন্ন বিষয়ের উপর আবিষ্কার করেন।যা ছড়িয়ে পড়ে দিক থেকে দিগন্তে। এ সফলতা দেখে ১৪ টি বড় বড় কোম্পানি থেকে চাকুরির প্রস্তাব আসে। কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। বরং তখনকার অখ্যাত একটি কোম্পানিতে প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে জয়েন করেন। যেখানে ২০জন মেম্বারের মাঝে তিনি ছিলেন একমাত্র নারী প্রকৌশলী।
-
আর সে অখ্যাত প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে আজকের বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন Google. মারিসার তত্ত্বাবধানে গুগল সার্চ, ম্যাপ, নিউজ, টুলবার, জিমেইল ইত্যাদি গড়ে ওঠে। অসাধারণভাবে সাজিয়ে তুললেন Google নামক অখ্যাত কোম্পানিটিকে। যা পরবর্তীতে আর অখ্যাত থাকেনি। ভাবা যায় হাজারো কোটি মানুষ যে সার্চ ইঞ্জিন টি আজ ব্যবহার করছে তার পিছে মারিসা'র কতোটা অবদান ছিলো!!
যদিও পরবর্তীতে তিনি ইয়াহুর সিইও হয়েছিলেন। এবং ম্যাগাজিনে বিখ্যাত সিইও এর খ্যাতি তাঁর ই ছিলো। একাধারে রুপ আর গুনের সমন্বয় আর কোন সিইও'র ছিলোনা।
-
এই সফলতার পিছনে ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে মারিসার পরিশ্রম। তিনি প্রতিদিন ১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করতেন। তাঁর এই পরিশ্রমের ম্যাজিক এতোটাই যে, সে যেখানেই যায় সফলতা সেখানেই ছুটে যায়। Yahoo কে ধ্বংসের ধারপ্রান্ত থেকে টেনে তুলেন তিনিই।
"I always did something i was a little not ready to do.i think that's how you grow.
-Marissa Mayer

No comments
Thank you.